নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরে বিভিন্ন পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র করে বিএনপির বিদ্যমান গ্রুপগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এসব ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও ভাগাভাগির জন্য গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির দুই শীর্ষ নেতার তত্ত্বাবধানে কমিটি করা হয়েছে।
এদিকে গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম মোল্লাকে দলবল নিয়ে বিভিন্ন কারখানায় ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে মহড়া দিতে দেখা গেছে। প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজে তার সঙ্গে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নিয়াজকেও দেখা গেছে। নিয়াজের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে সদ্য ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে আসা ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের আপন বাজার এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে আল আমিনকে রামদা হাতে নিয়ে এলাকায় মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি গাছা থানার জাঝর রোডে শেফাল গার্মেন্ট কারখানা থেকে বিএনপির একদল ঝুট আনতে গেলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।
জানা গেছে, গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল গড়, মির্জাপুর ও পিরুজালী ইউনিয়ন এলাকায় দেড়শতাধিক কারখানার ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির কয়েক নেতার সমন্বয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছেন জেলা ও মহানগর বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা।
কমিটিতে গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু তাহের মুসল্লি, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন রিজভী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ও সহ-সভাপতি ফজল মুসল্লি এবং সদর মেট্রো থানা বিএনপি সভাপতি ও সম্পাদকসহ মহানগর বিএনপির কয়েক নেতার নাম আছে বলে জানা গেছে। তারা সবাই ফজলুল হক মিলন ও মঞ্জুরুল করিম রনির সমর্থক।
উল্লেখিত কমিটি গঠনের বিষয় অস্বীকার করে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কোনো কমিটি হয়নি। তবে বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের যারা ব্যবসা করেছে আমরা তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসা করার চেষ্টা করছি। যাতে কোনো প্রকার মারামারি কাটাকাটি বা বিশৃঙ্খলা না হয়।
অপরাধ জগত24/এআইএ
